ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হয়ে উঠেছে রাশিয়ার তৈরি শক্তিশালী ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
ভারতীয় বিমান বাহিনীতে চতুর্থ এস-৪০০ স্কোয়াড্রন যুক্ত হওয়ার পর দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষার পরিধি আরও বহুগুণ বেড়েছে। এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থাটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরের শত্রুবিমান, ড্রোন বা যেকোনো আকাশযানকে নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম। সামরিক অভিযানে ইতোমধ্যে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে থাকা একটি বড় পাকিস্তানি বিমানকে সফলভাবে ভূপাতিত করার নজির গড়েছে এই ব্যবস্থা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘পেট্রিয়ট’ কিংবা ইউরোপের ‘স্যাম্প/টি এনজি’র তুলনায় এস-৪০০-এর নাগাল অনেক বেশি। এর শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থা ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের মধ্যে থাকা যেকোনো স্টিলথ (রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম) বিমান বা উচ্চগতির লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি নিশ্চিত করতে পারে। এর কেন্দ্রে থাকা ৯১এন৬ই ‘বিগ বার্ড’ ও ৯২এন৬ই ‘গ্রেভ স্টোন’ রাডার একসঙ্গে ৩৬টি লক্ষ্যবস্তুকে লক এবং ৭২টি ক্ষেপণাস্ত্রকে নিখুঁতভাবে নির্দেশনা দিতে পারে।
কৌশলগতভাবে রাশিয়া, চীন এবং তুরস্কের পর ভারতের হাতে এই ব্যবস্থার উপস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এনেছে। পাকিস্তান ও চীন—উভয় সীমান্তের আকাশপথেই এটি এক অভেদ্য ঢাল হিসেবে কাজ করছে, যা স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবেশী পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর জন্য এক বড় ধরনের কৌশলগত মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



