গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার নেপথ্যে চাঁদাবাজি নয়, বরং এক হামলার ঘটনার ভিডিও ধারণই মূল কারণ বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বাদশা মিয়া নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করার জেরেই খুন হন তুহিন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ উত্তর) মো. রবিউল ইসলাম জানান, হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তুহিনকে মৃত অবস্থায় পায় এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজে দেখা যায়, একজন নারী রাস্তায় এক পুরুষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ালে ওই পুরুষ তাকে আঘাত করেন। এরপর ওই নারীর পরিচিত কয়েকজন চাপতি নিয়ে এসে পুরুষটিকে আঘাত করে। পরে জানা যায়, ওই পুরুষ জয়দেবপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন, তার নাম বাদশা মিয়া।
পুলিশ কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, বাদশা মিয়া ও স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, হামলার ঘটনাটি সাংবাদিক তুহিন মোবাইলে ধারণ করেছিলেন। পরে হামলাকারীরা তুহিনকে ভিডিও মুছে ফেলতে চাপ দেয়। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় বা অস্বীকার করায়, ঘটনাস্থলেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, “মূলত একজন নারীকে কেন্দ্র করে প্রথমে হামলা এবং পরে হত্যাকাণ্ড ঘটে। আমাদের এখন পর্যন্ত তদন্তে এর বাইরে অন্য কোনো কারণ পাওয়া যায়নি।”



